Social Icons

Tuesday, 2 February 2016

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান অস্ট্রেলিয়ায়



আপনি জানেন কি বিশ্বের সবচেয়ে  ব্যয়বহুল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনটি ! অনেকেরই মনে হতে পারে যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ৷ আদতে কিন্তু তা নয়৷ কারণ বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান অস্ট্রেলিয়ায় 
বলা হচ্ছে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়া যেমন একটি ব্যয়বহুল দেশ, তেমনি সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার খরচটাও অনেক বেশি৷ তারপরেই আছে সিঙ্গাপুর আর যুক্তরাষ্ট্র৷ আর শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল দেশ ভারত৷ কারণ সেখানকার জীবনযাপনের ব্যয় তুলনামূলকভাবে অনেক কম৷
এই গবেষণা প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে ১৫ দেশের উপর ভিত্তি করে৷ গবেষণাটি পরিচালনা করেছে ব্যাংকিং জায়ান্ট এইচএসবিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ৷ প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায় এক বছরে এক শিক্ষার্থীর পড়ালেখা ও থাকা খাওয়া বাবদ খরচ হয় প্রায় ৪২,০০০ মার্কিন ডলার৷ সিঙ্গাপুরে এর চেয়ে ৩ হাজার মার্কিন ডলার কম ৷ অন্যদিকে যদিি ভারতে পড়তে তাহলে একজন শিক্ষার্থীর খরচ হয় বছরে ৬ হাজার মার্কিন ডলার৷
অস্ট্রেলিয়ার পরেই আছে সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র আর জার্মানি ।
যদিিও ব্যয়ের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র  অবস্থান তৃতীয় তা
রপরেও, গবেষণার প্রতিবেদনটি বলছে শিক্ষা প্রদানের মান যুক্তরাষ্ট্রেই সবচেয়ে ভালো৷ শিক্ষার মানের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থান ব্রিটেনের, তৃতীয় অবস্থানে জার্মানি এবং চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া৷
এইচএসবিসি-র সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান সিমন উইলিয়ামস বলেন, সন্তানকে বিদেশে পড়তে পাঠানোর পেছনে বড় একটা খরচ দিতে হয় অভিভাবকদের৷ কেননা বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই বৃত্তি না নিয়ে, অর্থাৎ প্রাইভেটে পড়ালেখা করেন৷ ফলে পড়ালেখাসহ থাকা খাওয়ার সব খরচটাই বহন করতে হয় অভিভাবককে৷

প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে ৫,০০০ শিক্ষার্থীর বাবা-মাকে প্রশ্ন করে৷ এঁদের মধ্যে ৮৯ ভাগ তাঁদের সন্তানকে ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতে চান এবং ৭৪ ভাগ চান তাঁদের সন্তানকে বিদেশে পড়াতে৷ তাঁরা এটাও জানান যে, সন্তানের শিক্ষার জন্য তাঁরা তাঁদের আয়ের একটা বড় অংশ সঞ্চয় করেন৷

Gunnies of the Plum

Plum-like fruit, acid and tannin. Each amaraya three apples are the same nutrients. Talk it is raw, ripe, partly goes to the takabhaba. The ripe fruit, raw, cooked, eaten as is or conduct.

Amarate plenty of vitamin C, vitamin B, calcium, iron, carotene, carbohydrates, and small amounts of protein, fiber and anti-oxidant national pekatina. In other words, full of plum pustigune. The inner parts of more than khosaya pustigunatai.
Plum harmful blood cholesterol levels, protect against stroke and heart disease. Vitamin C and calcium to prevent diseases of the teeth and gums and helps the body to build muscle.
amra-1 {focus_keyword} plum yataguna amra 1 indigestion and constipation in the existing pekatina national fiber helps prevent. Keeps the body healthy antioxidant that prevents cancer and other diseases.
Plum skin, nails and hair keep the support is nice. Protects the skin from aging to. Plum is very beneficial for those who are suffering from lack of blood. Amarate plenty of iron in the body due to meet the needs of blood and blood clotting that support.
Arucibhaba playing plum mouth away and increases appetite. The cold, cough and phlegm in the fruit away.

Sunday, 31 January 2016

ঘরে বসে Income SEO এর মাধ্যমে

আমরা সবাাই Income করতে চাই । But income করা কি এত ৈসহজ ! তবে হ্যা অবশ্যই সহজ যদি আপনি একটু বুদ্ধি করে SEO কাজটা শিখে নেন তাহলে ঘরে বসেই হাজার হাজার টাকা Income করতে পারবেন ।
SEO কি, কিভাবে ক্যারিয়ার হিসেবে এসইও শিখবেন, কি কি শিখবেন ?
এসইও কি? ওয়েবসাইটের জন্য এসইও গুরুত্ব:
SEO মানে ‍Search Engine Optimization। বর্তমান বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ তার প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পেতে গুগলে সার্চ করে। গুগল তখন তার সার্চ রেজাল্ট পেজে অনেকগুলো সাইটের ফলাফল প্রদর্শন করে। কোনটি প্রথমে কোন ওয়েবসাইটের নাম হয়ত প্রদর্শন করে ২নং পেজে। যেটি প্রথমে দেখা যাচ্ছে সেটি প্রথমে দেখাচ্ছে কারন সেটিকে এসইও করা হয়েছে। কোন ওয়েবসাইটকে সার্চের প্রথমে প্রদর্শন করার জন্য যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়, সেটিকে এসইও বলে। যখন আপনার ওয়েবসাইট সার্চের প্রথমে থাকবে তখন ওয়েবসাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি পায়। আর ভিজিটর বৃদ্ধি হলে ইনকামও বৃদ্ধি পায়। ধরুন, কোন কোম্পানি তাঁদের ওয়েবসাইটে পুরান মোবাইল সেট বিক্রয় করে। তাহলে তাঁরা চাইবে কেও যদি গুগল অথবা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে সার্চ করে “Buy used mobile phones” তার সাইট যেনো সার্চ রেজাল্টে প্রথমে আসে। সেই ক্ষেত্রে সার্চ কারী ব্যাক্তি তার ওয়েব সাইটের নাম সার্চ রেজাল্টে দেখে সেখানে ক্লিক করবে এবং তার ওয়েব সাইটে যাবে, এবং সেখান থেকে পন্য কিনবে। এই জন্যে অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা প্রতিস্থান গুলো SEO এক্সপারট দের হায়ার করে এবং তার সাইটের SEO এর কাজ দেয়। ঠিক একি ভাবে আপনি আপনার নিজের সাইটের জন্যে SEO করে নিজেই নিজের সাইট থেকে আয় করতে পারেন পন্য বিক্রির মাধ্যমে, অথবা Affiliate ইনকাম এর মাধ্যমে অথবা গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে। Affiliate Income এবং গুগল এডসেন্স নিয়ে আমি পরে লিখবো বিস্তারিত।
SEO
সার্চ ইঞ্জিন কী :
আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় যেকোন বিষয়ের তথ্য জানতে হলে ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে থাকি। তখন সারা বিশ্বের যত ওয়েবসাইটে এ ব্যপারে যেকোন তথ্য আছে, সব আমাদের সামনে চলে আসে। এ বিষয়গুলো জানার এসব উৎসকে সার্চ ইঞ্জিন ( search engine ) বলে। বিখ্যাত কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হলোঃ গুগল (google), ইয়াহু (yahoo),বিং( bing) ইত্যাদি ।
এই সব সাইটে আপনি একটি শব্দ সার্চ বক্সে লিখে সার্চ বাটনে ক্লিক করলে , কয়েক সেকেন্ড এর মধ্য অনেক ওয়েবসাইটের লিংক চলে আসে, যেসব লিংকে গেলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায় ।
সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে :
সার্চ ইঞ্জিনগুলো তৈরি হয়েছে, মানুষের তথ্য থুজে পাওয়ার জন্য। সেজন্য কোন কিছু সার্চ দিলে যাতে সবচাইতে সেরা তথ্য খুজে পাওয়া যায় সেজন্য সার্চইঞ্জিন সাইটগুলো কিছু পোগ্রাম তৈরি করে রাখে। যেটি সকল সাইটগুলোর মধ্যে কিছু বিষয় তুলনা করে সেরা সাইটগুলোকে সার্চের সামনে নিয়ে আসে। সেরা সাইট নির্বাচন করার জন্য তারা দেখে ওয়েবসাইটটির মানসম্মত কিনা, ওয়েবসাইটের তথ্য সকলের জন্য প্রয়োজনীয় কিনা, ওয়েভসাইটটি কেমন জনপ্রিয়। এগুলোসহ আরও কিছু বিষয় নিয়ে ফলাফল প্রদর্শন করে।
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং ক্ষেত্রে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ :
ওয়েবসাইট তৈরি হয় কোম্পানীর পণ্যের প্রসারের জন্য। যতবেশি মানুষ আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবে, ততমানুষ আপনার পণ্য সম্পর্কে কিংবা সার্ভিস সম্পর্কে ধারণা পাবে। সার্চ ইঞ্জিন কোন একটি ওয়েভ সাইটে ভিজিটরের প্রধান উৎস। শতকরা ৮০% ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিন মাধ্যমে কোন ওয়েব সাইটে আসে । ভবিষ্যতে এটি আরও বাড়বে । বিভিন্ন কারণে সার্চ ইঞ্জিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।
ক) যেকোন ওয়েবসাইটের বেশীর ভাগ ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিনে থেকে আসে । প্রতি মাসে প্রায় বিলিয়ন বিলিয়ন সার্চ হয় । United States এ এক জরিপে দেখা গেছে প্রতি মাসে কমপক্ষে ১০ বিলিয়ন সার্চ হয় । (সূএ : com score.2008 )
গ) অনেকে জানেনা তাদের প্রয়োজনীয় কোন তথ্য কোথায় পাওয়া যাবে।সে জন্য তারা সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে সে বিষয় লিখে সার্চ করে । তখন প্রয়োজনীয় সাইটের লিস্ট তাদের কাছে চলে আসে।
ঘ) বিনামুল্যে যেকোন তথ্য খুজে পাওয়া যায়, সেজন্য সবাই এটি ব্যবহার করে।
ঙ) সকল তথ্যে বিশাল ভান্ডার হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন। সেজন্য দিনে দিনে এটির উপর সবার নির্ভরশীলতা দিনে দিনে বাড়ছে।
চ) যেহেতু তথ্য খুজে পেতে সবাই সার্চইঞ্জিনের সাহায্য নিয়ে থাকে, সেজন্য সকল কোম্পানী তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য সনাতনী পদ্ধতি ছেড়ে দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনের সার্চের প্রথমে তাদের কোম্পানীর ওয়েবসাইটকে রাখতে চায়।
জ) মার্কেটিংয়ের সনাতনী সকল পদ্ধতিগুলো ব্যয়বহুল এবং বর্তমানযুগে কম কাযকরী। অন্যদিকে SEO তে খরচ কম কিন্তু আগের পদ্ধতির চাইতে কমপক্ষে ৬০ভাগ বেশি কাযকরী।
ক্যারিয়ার হিসাবে SEO :
বাংলাদেশে যারা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ইনকাম করে তাদের বেশিরভাগ এসইও এর মাধ্যমে আয় করে। কারন বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি কম। সাধারণত যাদের কম্পিউটার সম্পর্কে সাধারন ধারনা আছে, ইংরেজীতে মোটামুটি পারদর্শী, ওয়েবসাইট ভিজিট করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন তারা অতি সহজে এসইও এর কাজে পারদর্শী হতে পারেন। কোন প্রোগ্রামিং ভাষা জানার তেমন দরকার নাই বিধায় এই কাজ অতি সহজে রপ্ত করে দ্রুত কাজ শুরু করা যায় বলে বিশ্বব্যাপী এই কাজে নিয়োজিত আছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। এখানে উল্লেখ্য কোন প্রোগ্রামিং ভাষা না জানলেও কিছু বেসিক HTML, CSS, Photoshop এর কাজ জানতে হবে। এবং আমি এটা নিয়েও ট্রেনিং প্রদান করবো, কিভাবে বেসিক ওয়েব সাইট ইডিট করতে হয়, ওয়ারডপ্রেসে ব্লগ বানাতে হয় ইত্যাদি।
১)বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে (odesk.comfreelancer.com ইত্যাদি)ভিজিট করলে দেখা যায়, এসইওর কাজ সবচাইতে বেশি।
২) নিজের একটি ব্লগ সাইটখুলে সেটিকে এসইও করে গুগলের প্রথমদিকে আনতে পারলে যদি ভিজিটর বৃদ্ধি পায় তাহলে অ্যাডসেন্স কিংবা এ ধরনের আরও অনেক বিজ্ঞাপনী সার্ভিসের মাধ্যমে ভাল আয় করা যায়। এপদ্ধতিতে সাধারণত মাসে ১০০ ডলার থেকে ১০০০ডলারের মত আয় করা যায়।
৩) অ্যাফিলিয়েশন্সের আয়ের জন্য প্রধান শর্ত হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের প্রচুর পরিমানে টার্গেটেড ভিজিটর। আর ভিজিটর আনতে হলে এসইও করতেই হবে। আউটসোর্সিংয়ের এ কাজের মাধ্যমে মাসে আয় করা যায় সাধারণত ৩০০ -২০০০ ডলার।
৪) এসইওর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট গুগলের প্রথমে আনতে পারলে এবং ভিজিটর প্রচুর পরিমানে ওয়েবসাইটে আসলে বিভিন্ন লোকাল কোম্পানীর বিজ্ঞাপন আপনার সাইটে ব্যবহার করে মাসে ৩০০০০ টাকা থেকে ৫লাখ টাকাও আয় করতে পারবেন।
৫) এসইও শিখার আরও গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, এসইও কোর্স একটি কিন্তু আয় করা সেক্টর অনেকগুলো। যেমনঃ ফোরাম পোস্টিং কিংবা ব্লগ কমেন্টিং কিংবা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কেংবা পুরো এসইও করে আয় করা যায়।
৬) প্রতিদিন মাত্র ২-৩ ঘন্টা সময় দিয়ে এসইও করা যায়। সেজন্য অন্য চাকুরী পাশাপাশি এটি শিখে আয় করা সম্ভব।
কিভাবে শিখবেন এসইও?
আপনার ইংরেজি পড়া এবং বুঝার স্কিল যদি মোটামুটি লেবেলের ভালো হয় তবে আপনি গুগলকে ইউজ করে ভালো মানের কিছু ব্লগ থেকে এসইও’র অনেক অনেক কিছু শিখতে পারেন। আর নেট স্পিড ভালো হলে ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ভিডিও সার্চ করে দেখতে পারেন। বাংলাতেও প্রচুর এসইও গাইডলাইন আছে।
অনেকে অনলাইন থেকে শিখতে গিয়ে ধৈয্য হারিয়ে ফেলেন। যারা এভাবে শিখতে অভ্যস্ত না তারা ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে ভর্তি হয়ে ৮০০০ টাকা থেকে ১৫০০০ টাকা খরচ করে পুরো ব্যাপারটি অভিজ্ঞ কারও কাছ থেকে শিখে নিতে পারেন। আমাদের দেশে ইতিমধ্যে এ সম্পর্কিত অনেকগুলো ভালমানের ট্রেনিং সেন্টার গড়ে উঠেছে।
তবে সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক ব্যাপার হচ্ছে বেসিক SEO আমি শিখিয়ে দিবো, তবে বাকিটা আপনাদের নিজে নিজে শিখতে হবে। আমি শুধু আপনাদের পথ দেখিয়ে দিবো, বাকিটা আপনারা আপনাদের ইচ্ছা শক্তি দিয়েই পারবেন।
কি কি শিখতে হবে?
এসইও দুইপ্রকার। অনপেজ এসইও এবং অফপেজ এসইও। এ দুটির সকল বিষয় আপনাকে খুব ভালভাবে জানা থাকতে হবে। এসইওর কাজ শুরুর আগে যা যা শিখতে হবে, সেগুলো হলো: কিওয়ার্ড রিসার্চ, বিভিন্ন এইচটিএমএল ট্যাগের ব্যবহার, কনটেন্ট অপটিমাইজেশন, ফোরাম পোস্টিং, ব্লগ কমেন্টিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ডাইরেক্টরী সাবমিশন, গেস্ট ব্লগিং, প্রেসরিলিজ সহ আরও অনেক কিছু।
মনে রাখবেন, এই কাজ শিখতে আপনার সবচেয়ে বেশি দরকার গভীর ইচ্ছা , ধৈর্য এবং মনোযোগ। এক দিনে কিছুই হবেনা। ৪/৫ মাস কষ্ট করার পর বুঝতে পারবেন আপনি কিছু একটা শিখতে পেরেছেন, ধরতে পেরেছেন… এর পরের পথটা আপনি নিজেই তৈরি করে নিবেন।
(লেখক, MD. Mohabbat Hossain Rubel, Computer Engineer )

                                                                              


বেগুন

বেগুন এক প্রকারের সবজি। বেগুন গাছের ফলকে রান্না করে খাওয়া হয়। এর আদি নিবাস দক্ষিণ এশিয়া। এটি টমেটো ও আলুর সাথে সম্পর্কিত। বেগুন গাছ প্রায় ৪০ থেকে ১৫০ সেমি দীর্ঘ হয়। পাতাগুলো ঘন এবং প্রায় ১০ থেকে ২০ সেমি দীর্ঘ ও ৫ থেকে ১০সেমি প্রশস্ত হয়। বুনো বেগুন গাছ আরো বড় হতে পারে। বেগুনের ফুল সাদা হতে গোলাপী বর্ণের হয়। পাঁচটি পাপড়ি থাকে। বেগুনের ফল বেগুনী বা সাদা বর্ণের হয়। ফল অনেকটা লম্বাটে নলাকৃতির হয়ে থাকে। ফলের ভিতরে অনেকগুলো নরম বিচি থাকে। ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন রান্নায় বেগুনের ফল ব্যবহার করা হয়। বেগুন ভর্তা, বেগুন পোড়া, এবং বেগুনী বানাতে এর ব্যবহার রয়েছে। বিশেষত বাংলাদেশে ইফতারের জন্য বেগুনী একটি জনপ্রিয় খাবার। বীজতলা তৈরি বেগুন চাষের জন্য প্রথমে বীজতলায় চারা তৈরি করে মূল জমিতে রোপণ করতে হয়। বীজতলা তৈরির সময় কয়েকটি বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যেমন- বীজতলায় যেন পানি না জমে। ঐ স্থানে সব সময় আলো-বাতাস থাকে। বীজতলার কাছাকাছি সেচের ব্যবস্থা থাকলে ভালো। রোগমুক্ত সবল চারা পেতে হলে বীজতলার মাটি শোধন করে নিতে হবে। চারা উৎপাদন বেগুন চাষের জন্য চারা উৎপাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। শীতকালীন বেগুন চাষের জন্য শ্রাবণ মাসের মাঝামাঝি হতে আশ্বিন মাস এবং বর্ষাকালীন বেগুন চাষের জন্য চৈত্র মাস পর্যন্ত বীজ বপন করা যায়। বালি, কমপোষ্ট ও মাটি সমপরিমাণে মিশিয়ে বীজতলা তৈরি করতে হয়। সবল চারা পাওয়ার জন্য প্রথমে একটি বীজতলায় বীজ বুনতে হয়। বীজ গজানোর ৮-১০ দিন পর চারা তুলে দ্বিতীয় বীজতলায় রোপণ করতে হয়। এতে চারা স্বাস্থ্যবান হয়। জমি তৈরি ও চারা রোপণ[সম্পাদনা] বেগুন বেশ কয়েক মাস ধরে মাঠে থাকে। তাই ভালো ফলন পেতে জমি ভালোভাবে তৈরি করতে হবে। সাধারণত মাঠের জমি তৈরির জন্য ৪-৫ বার চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। ৩৫-৪৫ দিন বয়সের চারা রোপণের উপযোগী হয়। এ সময়ে চারাতে ৫-৬ টি পাতা গজায় এবং চারা প্রায় ১৫ সে.মি. লম্বা হয়। চারা তোলার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন শেকড় নষ্ট না হয়। চারা তোলার ১-২ ঘন্টা আগে বীজতলায় পানি দিয়ে মাটি ভিজিয়ে নিলে শেকড় নষ্ট হয় না। বীজতলায় চারা তৈরি করে ৫-৬ সপ্তাহ বয়সের চারা ৭৫ সে.মি. দূরত্বে সারি করে ৬০ সে.মি. দূরে দূরে লাগাতে হয়। বেগুনের জাতের গাছের আকার অনুয়ায়ী এ দূরত্ব ১০-১৫ সে.মি. কম-বেশি করা যেতে পারে। ১মিটার আকারের বীজতলায় প্রায় ৮-১০ গ্রাম বীজ বপন করতে হয়। চারার বয়স ৩৫-৪০ দিন হলে মূল জমিতে রোপণ করতে হয়। সার প্রয়োগ[সম্পাদনা] কৃষকদের মতে গুণগত মানসম্পন্ন ভালো ফলন পেতে হলে বেগুন চাষের জমিতে যতটুকু সম্ভব জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। মাটি পরীক্ষা করে মাটির ধরণ অনুযায়ী সার প্রয়োগ করতে হবে। তবে জৈব সার ব্যবহার করলে মাটির গুণাগুণ ও পরিবেশ উভয়ই ভালো থাকবে। বাড়িতে গবাদি পশু থাকলে সেখান থেকে গোবর সংগ্রহ করা যাবে। নিজের গবাদি পশু না থাকলে পাড়া-প্রতিবেশি যারা গবাদি পশু পালন করে তাদের কাছ থেকে গোবর সংগ্রহ করা যেতে পারে। এছাড়া ভালো ফলন পেতে হলে জমিতে আবর্জনা পচা সার ব্যবহার করা যেতে পারে। বাড়ির আশেপাশে গর্ত করে সেখানে আবর্জনা, ঝরা পাতা ইত্যাদির স্তুপ করে রেখে আবর্জনা পচা সার তৈরি করা সম্ভব। রোগবালাই[সম্পাদনা] ফিউজিয়াম ছত্রাক দ্বারা বেগুনের ঢলে পড়া রোগ হয়। গাছের গোড়া ও শেকড় বিবর্ণ হয়ে যায়। এ রোগ হলে পাতা নেতিয়ে পড়ে ও গাছ ঢলে পড়ে। পরবর্তীতে গাছ মারা যায়। প্রতিকার স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত জৈব কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে পোকা দমন না হলে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণের অধিদপ্তরের ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে। সেচ ও নিষ্কাশন শীতকালীন ও আগাম লাগানো বর্ষাকালীন ফসলের জন্য বেগুনে প্রচুর পানি প্রয়োজন হয়। বেলে মাটিতে ১০-১৫ দিন পরপর সেচ দেওয়া প্রয়োজন হতে পারে। বর্ষাকালীন ও বারমাসী বেগুনের ক্ষেত্রে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। চাষের সময় পরিচর্যা গাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য মাঝে মাঝে গাছের গোড়ার মাটি আলগা করে দিতে হবে। জমিতে আগাছা দেখা দিলে মাঝে মাঝে তা পরিষ্কার করতে হবে। খরকুটা অথবা শুকনা কচুরিপানা দিয়ে মাটি ঢেকে দিলে মাটিতে রস অনেক দিন থাকবে। বয়স্ক গাছে ফল উৎপাদন কমে গেলে গাছের প্রধান কান্ড গোড়ার দিকে ২০ সে.মি. রেখে গাছের বাকি অংশ কেটে দিতে হবে। এরপর সার ও সেচ দিলে কান্ডের কেটে দেওয়া জায়গা থেকে দ্রুত শাখা-প্রশাখা বেরিয়ে ফল দেওয়া শুরু করবে। বেগুন সংগ্রহ খাওয়ার উপযোগী বেগুন ক্ষেত থেকে তোলার সময় সাবধানে সংগ্রহ করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে গাছের গায়ে যেন আঘাত না লাগে বা ক্ষত সৃষ্টি না হয়। গাছ থেকে তোলা বেগুন কাঁচা পাতা অথবা খড়ের উপর রাখতে হবে যেন বেগুনে আঘাত না লাগে।ইহা অতি প্রয়জনিয় উৎপাদিত ফসলের পরিমাণ এক বিঘা জমিতে বেগুন চাষ করলে গড়ে প্রায় ১০০-১২০ মণ বেগুন পাওয়া যায়। বিপণন বেগুন ফসল সংগ্রহের পর ঠান্ডা ও খোলা জায়গায় কয়েক দিন সংরক্ষন করা যায়। তাই সংগ্রহের পরপরই ঝুড়িতে বা বস্তায় বাজারে পাঠান যেতে পারে। তবে বস্তায় বেশিক্ষন রাখা ঠিক হবে না।

Monday, 12 October 2015

খেলার ছলে ত্রিকোণমিতি

 আমাদের দেশের ছেলে মেয়েরা ত্রিকোণমিতিকে অনেক কঠিন মনে করে । কিন্তু একটু বুদ্ধি খাটাালেই অনেক সহজেই খেলার ছলে ত্রিকোণমিতি শেখা যায় । আর এর জন্যই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস । ত চলুন দেখে নেই কিভাবে অতি সহজে ত্রিকোণমিতি খেলার ছলে শেখা যায় ।
ত্রিভুজের  যেহেতু তিনটি বাহু আছে তাই প্রত্যেকটি বাহু দ্বারা প্রত্যেকটি বাহুকে আলাদা আলাদা ভাবে ভাগ করলে মোট ৬টি অনুপাত হয়।
এ ৬টি অনুপাতের নাম-Sine,Cosine,Secant,Cosecant,Tangent,Cotangent
সংক্ষেপে লিখা হয়- sin,cos,sec,cosec(অনেক দেশে cscলিখা হয়), tan, cot
sinA= লম্ব/অতিভুজ cosA=ভূমি/অতিভুজ tanA=লম্ব/ভূমি
cosecA=অতিভুজ/ লম্ব secA=অতিভুজ/ভূমি cotA=ভূমি/লম্ব
মনে রাখার অনেক উপায় আছে
১)সাগরে লবণ আছে sinA= লম্ব/অতিভুজ মানে হল সাগরে=sinA লবণ=লম্ব আছে=অতিভুজ
কবরে ভূত আছে ।cosA=ভূমি/অতিভুজ
ট্যারা লম্বা ভূত।tanA=লম্ব/ভূমি
২)৩টা একসাথে মনে রাখার জন্য – সকালে লুচি অথবা কলা ভক্ষণ অপেক্ষা টাটকা লিচু ভাল।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন
৩)sin , cos tan এর serial মনে রেখে
লালু আয় -ভুলু আয় -লালু ভুলু
৪)উল্টো করেও মনে রাখা যায়
অলস=sinএর স, লম্ব এর ল, অতিভুজ এর অ
অভূক
ভূলট
মনে রাখার আরো উপায় আছে। অন্য একদিন বলব।
ও ভাল কথা অনেকেই লম্ব এবং ভূমি এর সঠিক মানে জানে না তাই অনেক অংক মিলাতে পারে না।
সূক্ষকোণের বিপরীত বাহুকে লম্ব বলে।
সূক্ষকোণের সংলগ্ন বাহুকে ভুমি বলে।
তাহলে প্রকৃত সংজ্গা হল
sinA=(সূক্ষকোণের)বিপরীত বাহু/অতিভুজ
cosA=(সূক্ষকোণের)সংলগ্ন বাহু/অতিভুজ
tanA=(সূক্ষকোণের)বিপরীত বাহু/সংলগ্ন বাহু
তাহলে (৩)অনুসারে মনে রাখা যেতে পারে
ছেলেদের ক্ষেত্রে মেয়েদের নাম হলে বেশি মনে থাকবে।যেমন-
বিথী আয় – সাথী আয় – বিথী সাথী
আয় বিথী -আয় সাথী -সাথী বিথী
মেয়েরা পছন্দ অনুযায়ী ছেলেদের নাম দিয়ে মনে রাখতে পার।
আজ আর না।

Sunday, 11 October 2015

মাশরুমের উৎপাদন পদ্ধতি

বীজ উৎপাদন পদ্ধতি

ল্যাবরেটরীতে সাধারণত  দুইটি পদ্ধতিতে মাশরুমের বীজ উৎপাদন করা যায়। যেমনঃ (১) টিস্যু কালচার পদ্ধতি (২) স্পোরকালচার পদ্ধতি। টিস্যুকালচার পদ্ধতিতে জাতের বিশুদ্ধতা বজায় রেখে রোগমুক্ত বীজ উৎপাদন করা সম্ভব। সুতরাং এখানে টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে মাশরুমের বীজ উৎপাদনের সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি তুলে ধরা হল।
টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে মাশরুমের বীজ উৎপাদন পদ্ধতি ফ্লো চার্টঃ


পিডিএ মিডিয়া প্রস্তুত প্রণালীঃ
ল্যাবরেটরীতে টিস্যুকালচার করার পূর্বে পিডিএ মিডিয়া তৈরি করতে হবে। প্রতি লিটার পিডিএ মিডিয়ার জন্য নিম্নলিখিত উপকরণসমূহ প্রয়োজন।
১। গোলআলু – ২৫০ গ্রাম
২। এগার এগার – ২০ গ্রাম
৩। গ্লুকোজ – ২০ গ্রাম
৪। এসপারসিন – ২৫০ মিলিগ্রাম
পিডিএ তৈরিঃ
প্রথমে প্রয়োজনীয় পরিমাণ আলু নিয়ে উপরের ছাল ফেলে দিয়ে পাতলা করে টুকরো টুকরো করে ১ লিটার পানিতে ফুটাতে হবে। ৩০ মিনিট ফুটানোর পর আলু সিদ্ধ হলে পাতলা কাপড় দিয়ে ছেকে নিয়ে আলু ফেলে দিয়ে ঐ পানির সাথে উল্লেখিত পরিমাণ এগার এগার, গ্লুকোজ ও এসপারজিন মিশিয়ে আরও ১৫ মিনিট ফুটাতে হবে এবং মাঝে মাঝে নাড়ন কাঠি দ্বারা নেড়ে দিতে হবে। তারপর প্রতি টেস্ট টিউবে ১০ মিঃ লিঃ করে ভরে টেস্ট  টিউবের মুখ ছিপি দিয়ে ভাল করে বন্ধ করতে হবে। অতঃপর অটোক্লেভ মেশিনে ১২০-১২১ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১.১-১.৫ কেজি/সেঃ মিঃ প্রেসারে ২০ মিনিট জীবাণু মুক্ত করে নিতে হবে। তারপর উক্ত টেস্ট টিউব গরম অবস্থায় ৪৫ ডিগ্রী কোণে কাত করে ২৪ ঘন্টার সময় রেখে দিলে তা জমাট বেঁধে পিডিএ মিডিয়া তৈরি হবে।

পিওর কালচারঃ
পূর্বে প্রস্তুতকৃত পিডিএ মিডিয়াতে সুস্থ্য, সবল, রোগমুক্ত ও জুভেনাইল (Juvinile) অবস্থার মাশরুম ফ্রুটিং বডি সংগ্রহ করে ক্লিন বেঞ্চ এর ভিতরে সার্জিক্যাল ব্লেড দ্বারা কেঁটে সরিষা দানার মত সামান্য টিস্যু নিয়ে পিডিএ মিডিয়াতে সাবধানে নিডেল দ্বারা ঢুকিয়ে দিতে হবে। এখানে উল্লেখ্য যে, এ সমস্ত কাজগুলি জীবাণুমুক্ত পরিবেশে করতে হবে। তারপর উক্ত টেস্ট টিউবকে ২০-২৫০ সেঃ তাপমাত্রায় ৭-১২ দিন রেখে দিলে দেখা যাবে টেস্ট টিউবের ভেতর সাদা মাইসিলিয়ামে পূর্ণ হয়েছে। তখনই এটা স্টক কালচারে পরিণত হবে। এই স্টক কালচারকে পিওর কালচার বলা হয়।

মাদার কালচারঃ
মাশরুম সেন্টারে প্রধানতঃ দুই পদ্ধতিতে মাদার কালচার তৈরি করা হয়। (১) কাঠের গুড়া পদ্ধতি (২) গম পদ্ধতি
কাঠের গুড়া পদ্ধতিঃ
কাঠের গুড়ার মাদার কালচার তৈরি করতে নিম্নলিখিত উপকরণাদীর প্রয়োজনঃ (৩০০ গ্রামের ৪টি মাদার কালচারের জন্য)

উপকরণের নামপরিমাণ
কাঠের গুড়া৪০০ গ্রাম
গমের ভূষি২০০ গ্রাম
ক্যালসিয়াম কার্বনেট৬০ গ্রাম
পানি  ৫০%

উল্লিখিত পরিমাণ কাঠের গুড়া, গমের ভূষি, ধানের তুষ, চুন ও পানি মিশ্রিত করে পিপি ব্যাগে ৩০০ গ্রাম করে ভরে প্লাস্টিক নেক দ্বারা বেঁধে কাঠের লাঠি দ্বারা ছিদ্র করে কটন স্টপার দিয়ে মুখ বন্ধ করে ব্রাউন পেপার দিয়ে ঢেকে রাবার ব্যান্ড দিয়ে বেধে দিতে হবে। তারপর অটোক্লেভ মেশিনে ১২০-১২১ ডিগ্রী সেঃ তাপমাত্রায় ও ১.১-১.৫ কেজি/সি.মি. প্রেসারে ১ ঘন্টাকাল জীবাণুমুক্ত করতে হবে। অতঃপর পিওর কালচার থেকে সামান্য মাইসেলিয়াম খণ্ড উক্ত প্যাকেটে জীবানুমুক্ত অবস্থায় ইনোকুলেশন করতে হবে। পরে প্যাকেটগুলি গ্রোথ চেম্বারে ২০-২৫ ডিগ্রী সেঃ তাপমাত্রায় ১২-১৫ দিন রাখার পর মাইসিলিয়াম দ্বারা পূর্ণ হলে তা মাদার কালচার হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এছাড়াও মাদার কালচার তৈরির জন্য গম, জোয়ার এবং খড় ব্যবহার করা যায়।
গমের মাদার কালচার তৈরি পদ্ধতিঃ
কাঠের গুড়ার পরিবর্তে গম দিয়ে মাদার কালচার তৈরি করা যায়। বর্তমানে অত্র সেন্টারে এ পদ্ধতিতেও মাদার কালচার প্রস্তুত করা হয়ে থাকে।
প্রথমে ভাল গম ময়লা আবর্জনা ঝেড়ে ১২-১৪ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ভাল করে ধুয়ে সমপরিমাণ পানিতে ৩০-৪৫ মিঃ এমনভাবে সিদ্ধ করতে হবে যেন গম যথেষ্ট নরম হবে কিন্তু ফেটে যাবে না। বেশি সিদ্ধ করা চলবে না। তারপর পানি ঝরিয়ে ঠান্ডা করে প্রতি কেজি গমের সাথে ১০০ গ্রাম চুন (ক্যালসিয়াম কার্বনেট) মিশিয়ে গমকে ঝরঝরে করে নিতে হবে। পরে পিপি ব্যাগে ৩০০ গ্রাম ওজনের গম ভরে নেক লাগিয়ে রাবার ব্যান্ড দ্বারা বেঁধে দিতে হবে। তারপর তুলা দ্বারা মুখ এটে ব্রাউন পেপার দিয়ে ঢেকে রাবার ব্যান্ড দিয়ে বাঁধতে হবে। প্যাকেটগুলোকে অটোক্লেভ ১২০-১২১ ডিগ্রী সেঃ তাপমাত্রায় ও ১.১-১.৫ কেজি/সি.মি. চাপে এক ঘন্টা জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে। উপরোক্ত নিয়মে পিউর কালচার দিয়ে ইনুকুলেশন করে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রেখে দিলে ১০-১৫ দিনের মধ্যে সাদা মাইসেলিয়ামে ভরে গেলেই মাদার কালচারে রূপান্তরিত হবে।
 

Sample text

Advertisement

Your Javascript ads here!

Sample Text

Sample Text

সত্যের সাথে আগামীর পথে এ আমার প্রত্যয়
 
Blogger Templates